উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় প্রাণ হারানো প্রবাসী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের (৩৫) অবশিষ্টাংশ সাত দিন পর দেশে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি অবতরণ করে। পরবর্তী সময়ে অ্যাম্বুলেন্সযোগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মরদেহ বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের নিজ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর লাশ ফিরে পাওয়ায় পরিবার ও পুরো এলাকায় চরম শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: নিজেকে এখনো বাস কন্ডাক্টর ভাবি: রজনীকান্ত
নিহত জসিম উদ্দিন বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাম্বল ছড়ারকুল এলাকার বাসিন্দা। তিনি মোহাম্মদ ছৈয়্যদ মিয়া ও মাবিয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। পরিবারের উপার্জন ও জীবিকার প্রয়োজনে তিনি প্রায় ১২ বছর ধরে মোজাম্বিকে অবস্থান করছিলেন।
আরও পড়ুন: কাতারে সিআইপি মাইন উদ্দিন সোহেলের নতুন ওয়্যারহাউস উদ্বোধন
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার মোজাম্বিকের মাপুতো বিমানবন্দর থেকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হন জসিম। তবে কাতারগামী সেই ফ্লাইটে মাঝআকাশে তিনি হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে বিমানে থাকা তার মরদেহ উদ্ধার করে কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
নিহতের বড় ভাই মো. ইউনুস জানান, কাতারে প্রয়োজনীয় আইনি ও দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার পর বুধবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে একটি কার্গো ফ্লাইটে তার মরদেহ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। যা বৃহস্পতিবার সকালে শাহ আমানত বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে এবং মা-বাবাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

