দেশের আবাসন শিল্পের অন্যতম বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) দীর্ঘ চার দশক ধরে সততা ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৮৩ সালে প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়ালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটির যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ একটি সুদৃঢ় অবস্থানে পৌঁছেছে। দক্ষ প্রকৌশলীদের তদারকি এবং সেবার মান ধরে রাখায় এসইএল গ্রাহকদের কাছে একটি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে ২৭৬টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প হস্তান্তর করেছে।
বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে এসইএলের ৫১টি প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে বসুন্ধরায় ৬টি, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ৫টি করে, উত্তরায় ৪টি, মালিবাগ ও মগবাজার এলাকায় ৪টি, ইস্কাটনে ৩টি এবং জলসিঁড়িতে ১৪টি প্রকল্প রয়েছে। এছাড়া মহাখালী, গ্রিন রোড, হাতিরপুল ও গেন্ডারিয়া এলাকায় একটি করে প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ঢাকার বাইরে সাভারে একটি এবং কুমিল্লায় পাঁচটি আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে। বাণিজ্যিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৫টি উন্নত মানের বাণিজ্যিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে মে ২০২৪ সালে হস্তান্তর করা ‘কর্ণফুলী’ এবং অক্টোবর ২০২৬ নাগাদ বাস্তবায়নাধীন ‘সুফী স্কয়ার’ অন্যতম আইকনিক প্রকল্প।
আরও পড়ুন: নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. মুহাম্মদ ইউনূস
নিরাপদ নির্মাণশৈলী প্রসঙ্গে এসইএলের অতিরিক্ত উপব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মোহাম্মদ আবদুর রহমান জানান, গুণগত মান বজায় রাখা এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সময়মতো ফ্ল্যাট হস্তান্তরই তাদের দীর্ঘ সফলতার মূলমন্ত্র। তিনি বলেন, স্থাপত্যের নান্দনিকতার চেয়েও ভবনের স্থায়িত্ব এবং বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তাকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। এছাড়া কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর বিলম্বিত হলে তা গ্রাহকদের মানসিক ও আর্থিক চাপের কারণ হয়, তাই এসইএল সবসময় সময়ানুযায়ী প্রকল্প হস্তান্তরে বদ্ধপরিকর।
আরও পড়ুন: চুয়েটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ভিসি, বললেন ‘অমানবিক অবস্থায় আছি’
নগরায়ণের ঝুঁকি মোকাবিলায় এসইএল আন্তর্জাতিক মানের টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। প্রকল্পের নকশায় বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, পয়োবর্জ্য শোধনাগার বা এসটিপি স্থাপন এবং আলো-বাতাসের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ‘এজ’ গ্রিন বিল্ডিং সনদ অর্জনকারী এই প্রতিষ্ঠানটি নতুন প্রজন্মের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফ্ল্যাট তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে চুক্তির শর্তানুযায়ী ক্রেতারা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা যথাযথ মূল্যে পান।

