ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ ও উত্তেজনার দ্বিতীয় দিনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), এসএফআই, এআইওয়াইএফ এবং এআইএসএফ-এর সমর্থকরা কনট প্লেসের সামনে সমবেত হয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এই বিক্ষোভ সামাল দিতে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ তাদের আটক করা শুরু করে। আটককৃতদের মধ্যে সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসও রয়েছেন।
আরও পড়ুন: রোনালদোকে নভেম্বরেই ফেরাতে চান পর্তুগাল ফেডারেশন সভাপতি
আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ঘটনায়, বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড়
বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত কর্মীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও টানাহেঁচড়ার ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারীদের জোরপূর্বক প্রিজ়ন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ ও ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন। তার ভাষ্যমতে, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার মাধ্যমে কণ্ঠরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সৌরভ দাস আরও উল্লেখ করেন যে, মোদি-শাহ প্রশাসন দিল্লিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করেছে এবং নিজেদের নাগরিকদের বিপক্ষেই যেন এক প্রকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, জ্ঞানেশ কুমারই বর্তমানে এই সরকারের টিকে থাকার প্রধান খুঁটি। তবে ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে তরুণ প্রজন্মকে দমানো সম্ভব নয় বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। জবাবদিহির দাবি আদায়ে তারা পিছু হটবেন না এবং পূর্ণ শক্তি নিয়ে আবারও মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন এই নেতা।

