উয়েফা নেশনস লীগের এ৩ গ্রুপের ম্যাচে স্বাগতিক ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে নতুন এক ইতিহাস গড়েছে ইংল্যান্ড। নিজেদের মাঠে ক্রোয়েশিয়ার জন্য এটিই ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে হারের রেকর্ড। এর আগে ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের কাছেই ৪-১ গোলে এবং ২০১৮ সালে স্পেনের কাছে ৬-০ গোলে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল তাদের। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান +৮ নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে থ্রি লায়নরা। নিজেদের ফুটবলের ইতিহাসে ঘরের মাঠে ক্রোয়েশিয়ার এটিই সবচেয়ে বড় হার। সেই রেকর্ড মুছে রিয়েকায় নিজেদের সর্বকালের সবচেয়ে বড় হারের তিক্ত স্বাদ পেল তারা।
রিয়েকার স্তাদিয়ন রুয়াভিচে শুরু থেকেই ইংলিশদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে অসহায় ছিল ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৮ মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ২১ মিনিটে জুড বেলিংহাম এবং ৩৮ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন লক্ষ্যভেদ করলে ব্যবধান ৩-০ হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে বুকায়ো সাকা গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সফরকারী ইংল্যান্ড। ২১ মিনিটে বেলিংহামের বুদ্ধিদীপ্ত ফিনিশিং এবং ৩৮ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ হেডারে ব্যবধান ৩-০ হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ৪৫ মিনিটে বুকায়ো সাকা গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় সফরকারীরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই দাপট বজায় রাখে ইংলিশরা। ৫৩ মিনিটে হ্যারি কেইন নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন। ৬৮ মিনিটে কেইনের সহায়তায় সাকা তার জোড়া গোল পূর্ণ করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৬-০। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় মরগান রজার্স গোলরক্ষককে একা পেয়ে দলের সপ্তম ও ঐতিহাসিক গোলটি নিশ্চিত করেন। ৪১ বছর বয়সী লুকা মদরিচের নেতৃত্বে ক্রোয়েশিয়ান মিডফিল্ড পুরো ম্যাচেই ইংলিশ যুবশক্তির গতির সামনে স্রেফ আত্মসমর্পণ করেছে।
পুরো ৯০ মিনিটে ক্রোয়েশিয়া ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে সেভাবে পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারেনি। ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে ইভান পেরিসিচের একটি দুর্বল শট ছাড়া স্বাগতিকদের উল্লেখযোগ্য কোনো আক্রমণ ছিল না। ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগকে এদিন পুরোপুরি ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে হ্যারি কেইনের দল।
আরও পড়ুন: টিভিতে আজ যেসব খেলা দেখবেন (১ অক্টোবর ২০২৬)
আরও পড়ুন: সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

