আজকের সর্বশেষ সবখবর

আহত পাইলটকে দেখতে হাসপাতালে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স

DSF NEWS
DSF NEWS
October 6, 2026 1:18 pm
Link Copied!

ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে সহপাইলটের হামলার শিকার ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছারকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। গত বুধবার তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ১৭২ জন যাত্রীর প্রাণ রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করেন মাচ্ছার। হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে তিনি দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ক্রাউন প্রিন্স তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ব্যক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁকে আলিঙ্গন করে সান্ত্বনা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হামদান জানিয়েছেন, মাচ্ছার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মূল্যবোধ ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে এবং দেশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও প্রশংসা রয়েছে। সেখানে তাঁকে পাইলটের সঙ্গে কথা বলতে ও তাঁকে আলিঙ্গন করতে দেখা যায়।

তদন্ত অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটিতে ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন মাচ্ছার। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই তাঁর সহপাইলট ওমানি নাগরিক হামাম আল-হাম্মামি ককপিটে থাকা কুঠার দিয়ে তাঁকে অতর্কিতে আক্রমণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, হামলার সময় হামাম বিমানটিকে বিধ্বস্ত করারও চেষ্টা করেছিলেন। দুই পাইলটের মধ্যকার ধস্তাধস্তির ফলে বিমানটি কয়েক মিনিটের ব্যবধানে কয়েক হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। জীবন সংকটাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও মাচ্ছার সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন এবং যাত্রীদের সতর্ক করেন। পরবর্তীকালে বিমানের অন্য যাত্রীরা ককপিটে ঢুকে হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন এবং ডিউটির বাইরে থাকা পাইলটরা বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করান। এটি সহমর্মিতা, শান্তি ও জীবনের পক্ষে থাকা একটি দেশ।’। এরপর কয়েকজন যাত্রী ককপিটে ঢুকে হামামকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টার পেছনে হামামের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনো তদন্তাধীন।

এই ঘটনার পর মাচ্ছারের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, হামলাকারী হামামের উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন বলছে, কট্টরপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এর আগে ওমানে তাঁকে বিমান চালানো থেকে নিবৃত রাখা হয়েছিল। সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই পুরো ঘটনাটি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্যের অংশ কি না, তা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সক্ষমতা বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র

আমাদের ফেইজবুক পেইজ

আমাদের টেলিগ্রাম

এই সাইটে নিজস্ব নিউজ তৈরি করে প্রকাশ করে থাকি। এই সাইটের সংবাদ নিয়ে কোনো অভিযোগ, আপত্তি বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে info@dsfnews.com-এ জানান। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।