নিজস্ব প্রতিবেদক: মুজিবুর রহমান ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অন্যতম সহচর। ছিলেন পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। সিলেট জেলা এবং মহানগর আওয়ামী নেতাদের কাছের মানুষ হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। জুলাই বিপ্লবে বাংলাদেশের রাজনীতির গতি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকেও রাতারাতি পাল্টে ফেলেন মুজিব। বর্তমানে সেই মুজিব এখন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ১নং পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে গত শুক্রবার বাদ এশা ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের পাড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন তিনি। সেই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বতু মিয়া। অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কর্মীসমর্থকরা। মূলত সেই ফ্যাসিস্ট মুজিব বিএনপি-জামায়াতের কর্মীসমর্থকদের ম্যানেজ করে নিজের চেয়ারম্যান প্রার্থীতা ঘোষণা করায় এলাকায় গুঞ্জন ওঠেছে এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিলেটের আলোচিত টিলাগড় গ্রুপের নিয়ন্ত্রক ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদের সঙ্গে মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠতা হয়। ক্রমে আজাদের একান্ত মানুষ হয়ে ওঠেন তিনি। পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠতা হয় আজাদ অনুসারী এডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীরের সাথে। এরপর আজাদের কাউন্সিলর নির্বাচনে সামনের সারিতে থেকে নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা করেন মুজিব।
ওইসময় তার কার্যক্রমে মুহূর্তেই আজাদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন মুজিব। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি মুজিবকে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ব্যবসা শুরু করে তিনি।
সিলেটের প্রভাবশালী আওয়ামী নেতাদের নিয়ে শুরু করেন কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত শারফিন টিলা ও ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাংকার থেকে পাথর লুট। রাতারাতি বনে যান কোটিপতি। তবে সেই মুজিব এখন নিজেকে আওয়ামী লীগের কেউ না বলে পরিচয় দিচ্ছেন।
নিজ রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে মরিয়া হয়ে ওঠেছেন তিনি। যা তার নির্বাচনী এলাকায় তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন: কালকিনিতে ঐতিহ্যবাহী কুন্ডুবাড়ী মেলা শুরু ৭ই নভেম্বর থেকে
আরও পড়ুন: পিরোজপুর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পাশারীর জানাজা বাধা প্রদান করার প্রতিবাদে নওগাঁয় মানববন্ধন

