মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ১৩ নং কর্মধা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় একক প্রার্থী ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় বিএনপিতে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী মনোনয়নের প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয় নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী ফজলুল হক রুবেল।
আরও পড়ুন: নবাবগঞ্জে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন বিট অফিসার রাফিউল!
তিনি কর্মধা ইউনিয়নের ভাতাইয়া গ্রামের কৃতি সন্তান এবং বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মরহুম হাজী মোহাম্মদ মফিজ আলী সাহেবের সুযোগ্য পুত্র।
স্থানীয় সাংবাদিকদের নিকট পাঠানো এক বিবৃতিতে হাজী ফজলুল হক রুবেল অভিযোগ করেন, মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতামত তোয়াক্কা না করে একপেশেভাবে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা ত্যাগী কর্মী এবং স্থানীয় সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। প্রবাসে অবস্থান করলেও নিজ মাতৃভূমি কর্মধার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন।
তৃণমূলের মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে হাজী ফজলুল হক রুবেল স্পষ্ট ভাষায় জানান, “কর্মধা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত এবং পূর্ণ সমর্থন থাকলে আমি আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।”
জনগণের ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুসংগঠিত, সুশাসিত, মাদকমুক্ত ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গঠন করাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি। এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপির নীতি-নির্ধারণী মহলের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

