স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় গত ৩১/০৮/২৬ইং দুপুর ২:২০ মিনিটের দিকে ক্ষিদ্র কালিকাপুর গ্রামের জুনিয়র মৌলভী (ইবতেদায়ী ) মোহাম্মদ আকরাম হোসেন তার ক্লাসরুমে যথারীতি ক্লাস নিচ্ছিলেন l
ক্লাস চলাকালীন সময়ে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন রকম কার্যকলাপের দিকে দৃষ্টি দিতে হয় শিক্ষকদের ৷ ক্লাসের ধারাবাহিকতা বা শৃঙ্খলা রক্ষায় শিক্ষক অনেক ভূমিকায় পালন করেন ৷ একসময় এক ছাত্রীর কাছ থেকে বই চাইলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া তাওসিন আক্তার নামে ওই ছাত্রী জুনিয়র মৌলভী আকরাম হোসেনের মুখের উপরে বইটি ছুড়ে মারেন ৷ এক পর্যায়ে আকরাম হোসেন বইটি ফেরত দেওয়ার সময় ওই ছাত্রীর নাকে একটি বরুণ/ ছোটফোড়া জাতীয় কিছু বের হওয়া স্থানে বইটির আঘাত লাগে৷ যার ফলে উক্ত ছাত্রীর নাকে অল্প কিছু বিষফোঁড়া রক্ত বের হয়,সঙ্গে সঙ্গে আমরা সব শিক্ষকরা তার প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা করে সেটি ভালো হয়ে যায় ৷ এইসব কথা বলেন উক্ত মাদ্রাসার বর্তমান অধ্যক্ষ সাহেব ৷
উক্ত এলাকার এলাকাবাসীর সূত্রে সরেজমিনে দেখা যায়,অত্র মাদ্রাসার জুনিয়র মৌলভী জনাব আকরাম হোসেন অত্যন্ত সদালাপি এবং হাস্যজ্জল একজন ব্যক্তি৷ তিনি সব ছাত্র ছাত্রীকেই অত্যন্ত স্নেহ করেন ৷ উক্ত এলাকার বেশ কিছু অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্যগুলো জানা যায় I
মোঃ আকরাম হোসেন সুদীর্ঘ আটাশ বছর যাবত সম্মানের সহিত উক্ত মাদ্রাসায় পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন অত্যন্ত সুনামের সহিত ।
একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন থেকে আকরাম হোসেনের সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ফন্দিফিকির চালাচ্ছেন বলে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়I
আরও পড়ুনঃ
গত ৩১ তারিখের ঘটনার দিন বেলা ৩ ঘটিকার দিকে হঠাৎ ওই ছাত্রীর অভিভাবক ও তার আত্মীয়-স্বজন লোহার রড দেশীয় ধারালো অস্ত্র লাঠি সোটা সহ আমাকে মারধর করে টেনে হিচড়ে অফিসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমার সহকর্মীরা তা প্রতিহত করেন ৷ হঠাৎরেজাউল ইসলাম পিতা-মৃত কিয়ামত ফকির গ্রাম, ক্ষিদ্র কালিকাপুর, উপজেলা আত্রাই, জেলা নওগাঁ তার কাছে থাকা চাকু দ্বারা আমাকে সজোরে আঘাত করে এবং হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা ব্যাপক মারধর করেএবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এতে ছাত্র-ছাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বলে জানান, ভুক্তভোগী আকরাম হোসেন ।
কিছুক্ষণের মধ্যেই বিউটি আক্তার ও আয়েত আলী ফকির একই কায়দায় আমার উপর আবারও আক্রমণ চালায়।
এরা প্রত্যেকেই আমাকে স্কুল বাউন্ডারির ভিতরে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে চলে যায় ৷ এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাহিরে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইট পাটকেল ছুঁড়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে ৷
উক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষকবৃন্দ বলেন, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বা শৃঙ্খলা স্বার্থে এরকম কার্যকলাপ কখনই গ্রহণযোগ্য নয় তাই তারা সকলেই উক্ত ঘটনার বিচার দাবি করেন

