অনিমেষ দাশ পিনব( সিলেট প্রতিনিধি):- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে কাল বৈশাখী ঝড় প্রতি বছরি হয়ে থাকে, এতে গৃহপালিত প্রাণি, মানুষ, গাছপালা সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বস্তু বাজে ক্ষতিগ্রস্ত সহ প্রাণ হানিও হয়ে থাকে এবারের বৈশাকিতে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হচ্ছে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও রাজশাহীসহ হাওর ও উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো। ভৌগোলিক অবস্থান এবং হাওর অঞ্চলে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে এ অঞ্চলগুলোতে বজ্রপাত বেশি হয়। এছাড়া যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল এলাকাতেও উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।
এছাড়াও সিলেট, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, রংপুর। যশোর, সাতক্ষীরা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল (খেপুপাড়া), বান্দরবান, রাঙামাটি। এসব জায়গা গুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
এবার আসি বজ্রপাতে বাহিরে থাকলে করনিয় স্বম্পর্কে : আমাদের দেশে মিডিয়া থেকে শুরু করে সাধারণ জনগন বেশি সতর্কিত বজ্রপাতে অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি নিয়ে কিন্তু এর পাশাপাশি আমাদের জানতে হবে বজ্রপাতে বাহিরে থাকলে করনিয় কাজ স্বমন্ধে।
বজ্রপাতে বাইরে থাকলে দ্রুত কোনো পাকা দালান বা কংক্রিটের ছাদের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে সুবিধে তবে খোলা মাঠ, উঁচু গাছ, বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে থাকবেন না । আশ্রয় না পেলে নিচু হয়ে, পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে, হাঁটু গেড়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন এটি একটি সনাতনি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি যতটুকু সম্ভব পানি, ধাতব বস্তু ও মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন প্রয়োজনে ফোন সুইচ বন্ধ করে দিন এতে নেটওয়ার্ক এ কানেকশন থাকবে না।
তবে কখনই বজ্রপাতে মাটিতে শুয়ে পড়া যাবে না।গাড়িতে থাকলে জানালা বন্ধ করে দিন যেকোন ধরনের টাওয়ার বৈদ্যুতিক খুঁটি ধাতব পদার্থের কাছে থাকা সবচেয়ে বেশি বিপদজনক। সর্বপরি যারা কৃষিকাজে মাঠে থাকেন তারা আবহাওয়া প্রতিকুলে দেখলে দ্রুত এ স্থান ত্যাগ করে নিজ আবাসস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

