মাঠের বাইরের আইনি লড়াই ও অর্থনৈতিক বিতর্কের উত্তাপ নিয়ে অ্যানফিল্ডে নেমে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিলো ম্যানচেস্টার সিটি। খেলার প্রথম এক ঘণ্টা উভয় দলের লড়াই ছিল সমানে সমান। তবে ম্যাচের ৬২ মিনিটে অলরেডদের ডাচ মিডফিল্ডার রায়ান গ্রাভেনবারখ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। শেষ ৩০ মিনিটে ১০ জনের লিভারপুলকে একপ্রকার চেপে ধরে ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো সিটিজেনরা। প্রথমার্ধে স্বাগতিক লিভারপুল আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আর্লিং হালান্দ, ইলিয়ট অ্যান্ডারসন ও জেরেমি ডোকুদের নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে সিটি। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।
আরও পড়ুন: এক সপ্তাহে সৌদি আরবের ৬ বিমানবন্দরে হুথিদের ৭ হামলা
আরও পড়ুন: হলি ক্রস বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ২০২৭ সালে নবম শ্রেণিতে ভর্তি
ম্যাচের মোড় ঘোরানো লাল কার্ড
- ম্যাচের ৬২ মিনিটে জেরেমি ডোকুকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড পান অলরেডদের হয়ে মাঠের সেরা পারফর্ম করতে থাকা রায়ান গ্রাভেনবারখ।
- গ্রাভেনবারখের বিদায়ের পরই ১০ জনের লিভারপুলের ওপর একের পর এক আক্রমণ শুরু করে ম্যানচেস্টার সিটি।
- ৬৫ মিনিটে বদলি নামা ডোকুর তৈরি করা সুযোগ থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফার্স্ট-টাইম ফিনিশিংয়ে সিটিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্দ।
- মিনিট তিনেকের ব্যবধানে বাঁ প্রান্ত থেকে ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে চমৎকার এক শটে ব্যবধান ২-০ করেন জেরেমি ডোকু।
ম্যাচের ৭৮ মিনিটে দেখা মেলে চলতি মৌসুমের অন্যতম সেরা গোলের। দীর্ঘ দুই মিনিট বল নিজেদের দখলে রেখে এক অবিশ্বাস্য নিখুঁত আক্রমণ সাজায় ম্যারেস্কার শিষ্যরা। রায়ান চেরকি ও ইয়োস্কো ভার্দিওলের চমৎকার পাসিং বোঝাপড়া শেষে অ্যান্ডারসনের সহায়তায় স্বাগতিক রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়ান চেরকি। খেলার শেষ বাঁশি বাজার পর গ্যালারি থেকে স্বাগতিক সমর্থকদের স্লোগান শুনতে হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে খেলোয়াড়দের সাথে উল্লাসে মেতে ওঠেন সিটি বস মারেস্কা। এই জয় সিটিজেনদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিল।

