ঢাকা, ১৪ আগস্ট ২০২৬ — ইউক্রেনের জাতীয় ব্যাংকের (NBU) গভর্নর আন্দ্রি পিশনির উচ্চ শিক্ষার ডিপ্লোমার সত্যতা যাচাইয়ে আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সম্ভাব্য জাল ডিপ্লোমার অভিযোগে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।
তবে বিষয়টি নতুন নয়। ২০০৭ সালের পুরনো আদালতের নথি থেকে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি সুমি শাখার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা না করেই নথি পেয়েছেন।
এছাড়া কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি জেলা আদালত রাষ্ট্রীয় তদন্ত ব্যুরোকে (DBR) মামলা খোলার নির্দেশ দিয়েছে। অর্থনীতিবিদ বরিস কুশনিরুক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
ফলে তদন্তে দেখা হবে, ডিপ্লোমা সত্যি কি না। পিশনি ২০২২ সালে NBU-এর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। তার মেয়াদে তিনি ২ কোটি ৩৭ লাখের বেশি ইউএএইচ আয় করেছেন।
অন্যদিকে পিশনি দাবি করেছেন, তার দুটি ডিপ্লোমাই বৈধ। আগেও একাধিকবার যাচাই হয়েছে। তিনি বলেন, এটি তার বিরুদ্ধে পুরনো অপপ্রচার।
তবে ২০০৭ সালের আদালতের নথিতে তার নাম উল্লেখ রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কখনো পড়েননি। তবু নথি তৈরি করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন অর্থনীতি সংকট
সূত্র: ইউক্রেনীয় আদালত ও মিডিয়া রিপোর্ট
পটভূমি
পিশনি ১৯৯৬ সালে আইন বিষয়ে স্নাতক হন। পরে ব্যাংকিং বিষয়ে ডিপ্লোমা নেন। তদন্ত এখন চলমান। ফলাফল এখনো আসেনি। এই অভিযোগ তার নিয়োগের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে তিনি এখনো পদে আছেন।
আরও পড়ুন: লন্ডনে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের মেজবান অনুষ্ঠিত

