আমির হোসেন স্টাফ রিপোর্টারঃ শিমুল বাগান সংলগ্ন যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু লুটের ঘটনায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ছয়জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে মামলাটিতে। সোমবার(১৫ জুন) রাতে মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আব্দুল কাইয়ুম খান।
মামলার আসামিরা হলেন-ঘাগটিয়া গ্রামের মৃত একলাছ মিয়ার ছেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোসাহিদ হোসেন রানু,তার সহযোগী উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মাণিগাঁও গ্রামের ছাদেক মিয়ার ছেলে হাসান আলীসহ ৩-৪ জন অজ্ঞাত রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার ভোরে উপজেলার ইজারাবিহীন মাণিগাঁও শিমুল বাগানের সম্মুখে যাদুকাটা নদী থেকে ইউপি সদস্য মোশাহিদ হোসেন রানু ও হাসান আলীর নেতৃত্বে শতাধিক শ্রমিক দিয়ে ৮-৯টি স্টিলবডি ট্রলারে করে বালু নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ৪ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ২ শতাধিক ঘনফুট খনিজ বালুবোঝাই একটি স্টিলবডি (ইঞ্জিনচালিত) ট্রলার।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান,যাদুকাটা নদীতে শত শত ড্রেজার ও সেইভ মেশিন চালানোর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হয় না আর আটক ও হয় না। এ কারনে বালুখেকো চক্রটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শুধু রানু মেম্বার আর হাসান আলীই শুধু নয় এর সাথে স্থানীয় প্রভাবশালীরাও জড়িত রয়েছে। তাদের কেও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজনীয় একেই সাথে তাদের কারা মদদ দিচ্ছে তাদের কেও চিহ্নিত করে নাম প্রকাশ করে আইনের আওতায় আনা হউক।
মামলা দায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সালাউদ্দিন মোল্লা। তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন এই বিষয়ে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম কে আমরা ছাড় দিবো না।

