কামরুজ্জামান শিমুল বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খান হাফিজুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে বাগেরহাট জেলা কারাগার থেকে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তিনি মুক্তি লাভ করেন। এ সময় বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।
গত ৫ ই মার্চ বিএনপি নেতা খান হাফিজুর রহমানকে পটুয়াখালী জেলার তালতলী এলাকা থেকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলা কারাগারে প্রেরণ করলে সেই থেকে তিনি ওই হত্যা মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। অবশেষে আদালতের নির্দেশে আজ তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
কারা ফটকে বিএনপি নেতা কর্মীরা সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, খান হাফিজুর রহমান সহ আরো বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীকে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে খান হাফিজ সহ বিএনপি নেতা কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এমনকি তারা হত্যাকাণ্ড সম্বন্ধে জানেনও না। অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার পার নওয়াপাড়া এলাকার শাহজাহান সরদারের ছেলে এনামুল কবির বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ-পূর্বক আরো ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়ের হওয়ার পর প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আসামির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে তাদের স্বজন ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
এবছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পার নওয়াপাড়া এলাকার সরোয়ার সরদারের বাড়ির সামনে জমি জমার সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সরদার ওসমান গনি গুরুতর আহত হয়ে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থা গুরুত্ব বড় হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি বেলা বারোটায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: তেলের অপেক্ষায় মৃত্যু খানসামায় স্ট্রোকে প্রাণ গেল এক ব্যক্তির

