মোঃ শামীম হোসেন – খুলনা: ঢাকে পড়েছে কাঠি, বেজে উঠেছে শঙ্খ। ঘণ্টা ও কাঁসরের ধ্বনির সঙ্গে উলুধ্বনিতে মুখরিত চারপাশ। উৎসবের আমেজে শুরু হয়েছে বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার শুরু আজ।
আরও পড়ুন: কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন খুতবা নিয়ে ওয়াকফ বোর্ডের বিতর্কিত প্রস্তাব
এই দিন অর্থাৎ ‘মহাষষ্ঠী’তে দেবী দুর্গার আনুষ্ঠানিক জাগরণ বা ‘ বোধন’ অনুষ্ঠিত হবে এবং বুধবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ উৎসব। শুক্রবার সকালে বেলগাছের নিচে ঘট স্থাপন ও ষোড়শ উপচারে ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ষষ্ঠীপূজা। সন্ধ্যায় দেবীকে মূল মণ্ডপে আমন্ত্রণ ও অধিবাস জানানো হবে। এরপর দেবীর চরণে নিবেদন করা হয় পুষ্পাঞ্জলি।
পূজার আনুষ্ঠানিকতায় মুখর হয়ে ওঠে মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলো। বুধবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত ছয় দিন ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, ঘণ্টা ও কাঁসরের আওয়াজে মুখর থাকবে পূজামণ্ডপগুলো। ভক্তি, আনন্দ আর উৎসবের আবহে দেবী দুর্গাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত এখন পুরো সম্প্রদায়। দেশজুড়ে পূজা কমিটি, মন্দির ও মন্ডপগুলো পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় পার করছে।
আরও পড়ুন: টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ কিশোর, সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলেনি সন্ধান।
এর মধ্যে রয়েছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও সাজসজ্জা, প্রতিমা স্থাপন, আলোকসজ্জার ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনার দাকোপ উপজেলাসহ সারাদেশের প্রতিটি পূজামন্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
তাই নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজার মহাউৎসব। এবার দাকোপ উপজেলায় মোট ৮১ টি পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা।
আরও পড়ুন: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় জীবিকায় সংকট, নদী খোলার খবরে আশাবাদী শ্রমিক পরিবার

