ইফতিয়াজ সুমন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আসন্ন দিরাই পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে এগিয়ে রয়েছেন গত দিরাই পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী এবং দিরাই পৌর বিএনপির ১ম যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট ইকবাল হোসেন চৌধুরী সৎ,নির্ভীক, ন্যায় নীতিবান ও শিক্ষানুরাগী, দিরাই উপজেলার সুনামধন্য ব্যক্তি। সম্প্রতি, রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করেন,বিশেষ করে গত সতেরো বছর আওয়ামী বিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব,করোনা বন্যা সহ সকল দুর্যোগে হাওর পাড়ের উপজেলার মানুষের পাশে থাকায় তৃণমূল থেকে সকল নেতাকর্মীদের মধ্যে হয়ে উঠেন প্রিয় মানুষ।
দীর্ঘ এই রাজনীতির পথে নানা সময়ে দমনপীড়ন, হামলা-মামলা ও কারাবরণ করেছেন এডভোকেট ইকবাল হোসেন চৌধুরী। আন্দোলন থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন পর্যন্ত দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থেকেছেন। এজন্য নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন। এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন এবং সমাধান করছেন। তিনি দীর্ঘ বছর ধরে দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণের সুখে দুখে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কারাবরণকারী নেতাকর্মীদের খোঁজখবর ও আইনী সহায়তা দিয়েছেন এবং তাদেরকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দলীয় প্রোগ্রামে তিনি সবসময় থাকেন। দলের সকল কর্মসূচিতে তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে অংশগ্রহণ করে থাকেন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইসলামী জলসা শুরু করে দলীয় নেতাকর্মী অসহায় মানুষের বিপদে আপদে তিনি পাশে দাঁড়ান। তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তার প্রতি সাধারণ মানুষদের সমর্থন দিন দিন আরো জোরালো হচ্ছে।
এডভোকেট ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন,জনপ্রতিনিধি নয়, বরং একজন সেবক হিসেবে কাজ করতেই তিনি মেয়র পদে প্রার্থী হতে চান। তিনি আরও বলেন, দিরাই পৌরবাসীর সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থেকেছি, ভবিষ্যতেও একজন সেবক হিসেবে তাদের জন্য কাজ করতে চাই।”তিনি বলেন, দিরাই মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণে একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ে তোলা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করা,নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করা,স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, তরুণ সমাজকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা।শিক্ষা ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ,প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট পৌরসেবা চালু করা, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা, জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থাকার কারণে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও তাকে নিয়মিত দেখা যায়,যা তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত করেছে।স্থানীয়দের মতে, “সেবক” হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা এডভোকেট ইকবাল হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিনের চর্চারই প্রতিফলন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তার এই দৃঢ় অবস্থান ও সহমর্মিতা তাকে তৃণমূলের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।এখন দেখার বিষয়, এই সেবামূলক মনোভাব ও প্রতিশ্রুতি কতটা জনসমর্থনে রূপ নেয় তিনি নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, পৌরবাসীর সেবা করা এবং দিরাই পৌরসভাকে একটি আধুনিক ‘মডেল পৌরসভা’ হিসেবে উপহার দিতে আমি নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। যদি পৌরবাসী তাদের মহামূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে মেয়র নির্বাচিত করেন, তবে আমি কথা দিচ্ছি—আমার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব,ইনশাআল্লাহ। তার এই প্রার্থিতার ঘোষণায় পৌর এলাকায় সাধারণ ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

