DSF NEWS
ঢাকা Wednesday, 14 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আনদোলন
  6. আর্ন্তজাতিক
  7. উদ্ধার
  8. উদ্বোধন
  9. ক‌মি‌টি
  10. কৃষি
  11. খেলা
  12. গণমাধ্যম
  13. জাতীয়
  14. টেক রিলেট
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নেতানিয়াহুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান

DSF NEWS
DSF NEWS
October 14, 2026 11:02 pm
Link Copied!

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরাইলকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান সেই প্রস্তাবে রাজি হননি বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের কাছে প্রস্তাবটি পাঠানো হয়। তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য আসেনি।

ইসরাইলকে নিতে চাননি বিন সালমান

সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরাইলকে যুক্ত করার বিষয়ে আপত্তির পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আরব বিশ্বের মানুষের ক্ষোভ সৌদি সরকারের জন্য বড় বিবেচনার বিষয়।

এ অবস্থায় ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে প্রকাশ্যে সামরিক সহযোগিতা শুরু করলে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিন্ন স্বার্থ থাকলেও ইসরাইলকে সরাসরি যুক্ত করার বিষয়ে রিয়াদ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে আটকে আছে সম্পর্ক

আরও পড়ুন: সৌদিতে নিহত বাংলাদেশিদের মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি ফেরাতে সহযোগিতা

সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে আগ্রহ দেখিয়েছেন। সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

তবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ সংকটের গ্রহণযোগ্য সমাধান ছাড়া ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন বলে জানিয়েছে রিয়াদ।

এই অবস্থানের কারণে নেতানিয়াহু সরকারের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে বড় বাধা রয়ে গেছে।

গাজা যুদ্ধের পর বদলে যায় পরিস্থিতি

২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওই বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরু হলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।

আরও পড়ুন: রামপালের ভাগা রেলস্টেশন চালুর দাবিতে মানববন্ধন, ১৫ দিনের আল্টিমেটাম

গাজা যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে আরব দেশগুলোর অবস্থানও নতুন করে আলোচনায় আসে। একই সময়ে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়।

হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে ২০১৫ সালে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এরপর থেকে দেশটিতে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘাত চলে।

২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বড় ধরনের লড়াই অনেকটা কমে আসে। তবে সংঘাতের স্থায়ী সমাধান এখনো হয়নি। বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা বাড়ায় নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কী প্রভাব পড়বে?

সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরাইল সরাসরি যুক্ত হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় পরিবর্তন আসতে পারত। দুই দেশের নিরাপত্তাস্বার্থের কিছু মিল থাকলেও ফিলিস্তিন ইস্যুতে মতপার্থক্য এখনো প্রকট।

বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের মোকাবিলা করার প্রয়োজন থাকলেও ইসরাইলের সঙ্গে প্রকাশ্য সামরিক সহযোগিতার রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে চায় না সৌদি আরব। বিন সালমানের কথিত প্রত্যাখ্যান সেই সতর্ক অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়।

তবে নেতানিয়াহুর প্রস্তাব এবং সৌদি যুবরাজের সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা জরুরি।

আমাদের ফেইজবুক পেইজ

আমাদের ওয়েবসাইট লিঙ্ক

আমাদের টেলিগ্রাম

এই সাইটে নিজস্ব নিউজ তৈরি করে প্রকাশ করে থাকি। এই সাইটের সংবাদ নিয়ে কোনো অভিযোগ, আপত্তি বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে info@dsfnews.com-এ জানান। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।