ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চাপ বাড়ছে: হোয়াইট হাউসের অবস্থান
ওয়াশিংটন: ইরানের বিদেশে জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়ার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ছে। চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান হোয়াইট হাউসের কাছে এই দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করেছে।
ইরানি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কাতারসহ অন্যান্য দেশে আটকে রাখা ইরানের সম্পদ (বিশেষ করে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার) মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস এই দাবি তাৎক্ষণিকভাবে অস্বীকার করেছে।
ইসলামাবাদে (পাকিস্তান) যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি হলো বিদেশে আটকে থাকা তার সম্পদ (estimated over $100 billion) ফেরত দেওয়া। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার ও অন্যান্য দেশে রাখা তেল বিক্রির অর্থ অন্তর্ভুক্ত।
ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এই সম্পদ মুক্তি এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। ইরানি পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ জানিয়েছেন, আলোচনা শুরুর আগে এই দুটি বিষয় বাস্তবায়ন করতে হবে।
হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা এখনও স্পষ্ট করে কোনো সম্মতির কথা জানাননি। তারা বলছেন, আলোচনা চলছে এবং ইরানের সব দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জব্দকৃত সম্পদ ইস্যুটি যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রেরযুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণাঘোষণা করা হয়নি।

