মুক্তিযুদ্ধে শহীদানদের স্মরণের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় বৃটেনের কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্টে বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে যুক্তরাজ্য ওয়েলস আওয়ামী লীগ।
২৬শে মার্চ বৃহস্পতিবার দূপুর ১২ টা ১ মিনিটের সময় কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্ট তথা শহীদ মিনারে যুক্তরাজ্য ওয়েলস আওয়ামী লীগ, ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার বেদীতে ৭১”র শহীদানদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুলের শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করা হয়।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর এর সভাপতিত্বে এবং ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রাক্তন ছাত্রনেতা এম এ মালিক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ওয়েলস আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা,ওয়েলস আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম, ওয়েলস বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ইকবাল আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আলহাজ্ব আসাদ মিয়া,
ওয়েলস ছাত্রলীগের সভাপতি বদরুল হক মনসুর,
সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ার আলী, মাহবুবুর রহমান, সাজেল আহমেদ, আশফাকুর রহমান অভি, আবুল খায়ের পাপ্পু, আব্দুল মোতালিব, সেবুল আলী,
আব্দুল আহাদ, আসাদ মিয়া, সৈকত আহমেদ, শামীম মিয়া, রফিকুল ইসলাম, ও শাহাদাত হোসেন
সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, ও আওয়ামীলীগ এক ও অভিন্ন,বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলার মানচিত্র, বলে উল্লেখ করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ওয়েলস আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয়, গৌরবোজ্জ্বল দিন।
১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে যুক্ত হয়েছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের নাম। এটি কেবল একটি রাষ্ট্রের জন্মদিন নয়—এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার দিন, একটি দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত ঘোষণা। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, ও আওয়ামীলীগ এক ও অভিন্ন,বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলার মানচিত্র,
ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মালিক সহ বক্তারা বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদান,২ লক্ষ মা-বোনের আত্মত্যাগ, এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের বিনিময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, একটি নিজস্ব মানচিত্র এবং লাল- বৃত্ত সবুজের গর্বিত পতাকা বলে উল্লেখ করে তিনি ৭১ আমাদের অহংকার, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আমাদের অস্তিত্ব, এর সঠিক ইতিহাস সর্বত্রে তুলে ধরার আহবান জানিয়েছেন।
বক্তারা আরো বলেন- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ বাঙালির অস্তিত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। “অপারেশন সার্চলাইট”-এর সেই বিভীষিকাময় রাত বাঙালিকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং সেই অন্ধকার থেকেই জন্ম নিয়েছিল প্রতিরোধের আগুন। ২৬শে মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হয় মুক্তির চূড়ান্ত লড়াই। তৎসময়ে ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকবাহিনী কর্তৃক বাঙালি গণহত্যার বিচার ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজও হয়নি। আমরা এ গণহত্যার দ্রুত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই।
বক্তারা বলেন- দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অগণিত প্রাণের বিনিময়, মা-বোনের অসীম ত্যাগ—সব মিলিয়ে ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। সেই বিজয়ের বীজ বপন হয়েছিল আজকের এই দিনে। তাই ২৬শে মার্চ কেবল সূচনা নয়, এটি আমাদের চেতনার কেন্দ্রবিন্দু। যা আমরা এখন এই প্রবাসে বসবাস করে বার বার হৃদয়ের গহিন থেকে অনুভব করি।
সংবাদ প্রেরক ; শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার
দফতর সম্পাদক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ
ওয়েলস শাখা, কার্ডিফ, ওয়েলস, ইউকে,

